ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র :
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠক বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হবিগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নিখোঁজের দুই দিন পর সাতক্ষীরায় স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে এখনই ব্যবসা ও বিনিয়োগের উপযুক্ত সময় : ইতালির রাষ্ট্রদূত বেলজিয়ামের বিপক্ষে হারের ম্যাচে পা ভেঙেছেন যুক্তরাষ্ট্রের তারকা পুলিসিচ

বান্দরবানের কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বান্দরবান, ১০ জুলাই, ২০২৬, (বাসস) : টানা বৃষ্টি ও অতিবর্ষণের ফলে বান্দরবান জেলার সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ শুক্রবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানের সাংগু নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ দশমিক ৭৫ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ দশমিক ২৭ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত) বান্দরবানে ১৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাত।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা সদরের বিভিন্ন এলাক থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। তবে বান্দরবান সদরের আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা নগর, ওয়াপদা ব্রিজ এলাকা, বনানী স’ মীল এলাকা, ইসলামপুর, ব্রিগেড এলাকা, সাংগু নদীর তীরবর্তী এলাকা, ক্যাচিংঘাটাসহ বেশ কিছু এলাকায় এখনও বন্যার পানি আছে।

বান্দরবানের সড়কে নৌকা দিয়ে মানুষ পার হচ্ছে। সদরের আর্মিপাড়া, শেরেবাংলা নগরসহ আরও বেশ কিছু এলাকার সড়কের ওপর দিয়ে নৌকা চলছে। যেসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে সেসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসন এবং পৌরসভা থেকে আশ্রয়কেন্দ্রের মানুষদের খাবার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। 

অন্যদিকে, লামা উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিক বিপ্লব দাশ জানান, বন্যার কারণে লামা বাজারে গত বুধবার বিকেলে হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীরা মালামাল সরাতে পারেননি। তবে বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকে লামা উপজেলায় পানি কমতে শুরু করে। পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন ইউনিয়নের ব্রিজ কালভার্ট ভেঙে পড়ে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে আছে। তবে মূল সড়কে পানি কমে যাওয়ায় লামা-চকরিয়া সড়ক যোগাযোগ আবার চালু হয়েছে। প্লাবিত অঞ্চলগুলোতে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে| এদিকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রশাসন থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পানি নেমে যাওয়ায় দোকান মালিকরা বাজারের দোকান পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় রাস্তায় আবর্জনায় পরিপূর্ণ। কাদার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে এখনও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে।

আলীকদম উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা সুজন চৌধুরী জানান, সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। লামা-আলীকদম সড়ক যোগাযোগ চালু হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ আছে এখনও। তবে তিন-চারদিন যাবৎ বিদ্যুত নেই। নিম্নাঞ্চলে প্লাবিত মানুষগুলো বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের থুইলা অং পাড়ায় মধ্যম গর্জনখালের ওপর নির্মিত পাকা ব্রিজটি পাহাড়ি ঢলে ধসে পড়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে| 

রুমা ও রোয়াংছড়িতে বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় অচল অবস্থা বিরাজ করছে।

বান্দরবান জেলা সদরের বাসিন্দাদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একটি ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পুকুর থেকে পানি তুলে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তা পরিশোধন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

থানচি উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিক মংবোওয়াচিং মারমা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বিদুৎ আসে| গত ৫ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত টেলিটকের কোনো নেটওয়ার্ক ছিল না| আজ সকালে টেলিটকের নেটওয়ার্ক পাওয়া গেছে তবে রবির নেটওয়ার্ক নেই|
 
এদিকে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দাশ জানান, বান্দরবান চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-ঢাকা এখনও সরাসরি বাস চালু করা সম্ভব হয়নি| বান্দরবান কেরানীহাট সড়কে এখনও পানি আছে| পরিস্থিতি ¯^াভাবিক হলে আবার বাস সার্ভিস চালু করা হবে| 

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বাসসকে বলেন, সবাই সম্মিলিতভাবে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি| এখন পর্যন্ত আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে কোনো ধরনের ত্রাণে ঘাটতি হয়নি| 

এদিকে, বান্দরবানে বন্যায় পানিবন্দী ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি|

আজ শুক্রবার দুপুরে তিনি শহরের বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দরবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বাস স্টেশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র, ওয়ার্ল্ড ভিশন আশ্রয়কেন্দ্র এবং সাঙ&গু স্কুলে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন|

সাচিং প্রু জেরী বাসসকে বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য তালিকা করা হচ্ছে| এছাড়াও আশ্রয়কেন্দ্রে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে| আমার সহযোগিতা সব সময় অব্যাহত থাকবে| 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বান্দরবানের কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে 

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বান্দরবান, ১০ জুলাই, ২০২৬, (বাসস) : টানা বৃষ্টি ও অতিবর্ষণের ফলে বান্দরবান জেলার সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ শুক্রবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানের সাংগু নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ দশমিক ৭৫ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ দশমিক ২৭ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত) বান্দরবানে ১৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাত।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা সদরের বিভিন্ন এলাক থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। তবে বান্দরবান সদরের আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা নগর, ওয়াপদা ব্রিজ এলাকা, বনানী স’ মীল এলাকা, ইসলামপুর, ব্রিগেড এলাকা, সাংগু নদীর তীরবর্তী এলাকা, ক্যাচিংঘাটাসহ বেশ কিছু এলাকায় এখনও বন্যার পানি আছে।

বান্দরবানের সড়কে নৌকা দিয়ে মানুষ পার হচ্ছে। সদরের আর্মিপাড়া, শেরেবাংলা নগরসহ আরও বেশ কিছু এলাকার সড়কের ওপর দিয়ে নৌকা চলছে। যেসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে সেসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসন এবং পৌরসভা থেকে আশ্রয়কেন্দ্রের মানুষদের খাবার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। 

অন্যদিকে, লামা উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিক বিপ্লব দাশ জানান, বন্যার কারণে লামা বাজারে গত বুধবার বিকেলে হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীরা মালামাল সরাতে পারেননি। তবে বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকে লামা উপজেলায় পানি কমতে শুরু করে। পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন ইউনিয়নের ব্রিজ কালভার্ট ভেঙে পড়ে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে আছে। তবে মূল সড়কে পানি কমে যাওয়ায় লামা-চকরিয়া সড়ক যোগাযোগ আবার চালু হয়েছে। প্লাবিত অঞ্চলগুলোতে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে| এদিকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রশাসন থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পানি নেমে যাওয়ায় দোকান মালিকরা বাজারের দোকান পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় রাস্তায় আবর্জনায় পরিপূর্ণ। কাদার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে এখনও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে।

আলীকদম উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা সুজন চৌধুরী জানান, সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। লামা-আলীকদম সড়ক যোগাযোগ চালু হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ আছে এখনও। তবে তিন-চারদিন যাবৎ বিদ্যুত নেই। নিম্নাঞ্চলে প্লাবিত মানুষগুলো বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের থুইলা অং পাড়ায় মধ্যম গর্জনখালের ওপর নির্মিত পাকা ব্রিজটি পাহাড়ি ঢলে ধসে পড়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে| 

রুমা ও রোয়াংছড়িতে বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় অচল অবস্থা বিরাজ করছে।

বান্দরবান জেলা সদরের বাসিন্দাদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একটি ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পুকুর থেকে পানি তুলে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তা পরিশোধন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

থানচি উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিক মংবোওয়াচিং মারমা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বিদুৎ আসে| গত ৫ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত টেলিটকের কোনো নেটওয়ার্ক ছিল না| আজ সকালে টেলিটকের নেটওয়ার্ক পাওয়া গেছে তবে রবির নেটওয়ার্ক নেই|
 
এদিকে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দাশ জানান, বান্দরবান চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-ঢাকা এখনও সরাসরি বাস চালু করা সম্ভব হয়নি| বান্দরবান কেরানীহাট সড়কে এখনও পানি আছে| পরিস্থিতি ¯^াভাবিক হলে আবার বাস সার্ভিস চালু করা হবে| 

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বাসসকে বলেন, সবাই সম্মিলিতভাবে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি| এখন পর্যন্ত আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে কোনো ধরনের ত্রাণে ঘাটতি হয়নি| 

এদিকে, বান্দরবানে বন্যায় পানিবন্দী ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি|

আজ শুক্রবার দুপুরে তিনি শহরের বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দরবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বাস স্টেশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র, ওয়ার্ল্ড ভিশন আশ্রয়কেন্দ্র এবং সাঙ&গু স্কুলে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন|

সাচিং প্রু জেরী বাসসকে বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য তালিকা করা হচ্ছে| এছাড়াও আশ্রয়কেন্দ্রে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে| আমার সহযোগিতা সব সময় অব্যাহত থাকবে|