ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র :
দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী আগামীতে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং জুনে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী জনগণই বিএনপির ক্ষমতার উৎস – বরিশালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যা ও ভারী বৃষ্টি: আগাম পূর্বাভাস থাকলেও মাঠে কার্যকর প্রস্তুতির ঘাটতি বাংলাদেশে এখনই ব্যবসা ও বিনিয়োগের উপযুক্ত সময় : ইতালির রাষ্ট্রদূত বান্দরবানের কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠক বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ইউক্রেনের ৩৭৬টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি রাশিয়ার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা, ১০ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : দেশজুড়ে রাতে ইউক্রেনের ছোড়া ৩৭৬টি ড্রোন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে দেশটির কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছে মস্কো।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেন সাম্প্রতিক সময়ে মস্কোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করতে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলাকে রাশিয়ার পাল্টা জবাব হিসেবে দেখছে ইউক্রেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘ম্যাক্স’ প্ল্যাটফর্মে এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে, এমনকি রাজধানী মস্কো অঞ্চলের আকাশেও, রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন লাগে। 

ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। একই অঞ্চলের আজভ জেলায় দুটি জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।

ক্রাসনোদার অঞ্চলের সেভেরস্কায়া জেলার প্রশাসন টেলিগ্রামে জানায়, ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে ড্রোনের অংশবিশেষ পড়েছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। ওই এলাকাতেই ইলস্কি তেল শোধনাগার অবস্থিত।

আজভ এলাকায় জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর ইউরি স্লিউসার। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন গত মাসে স্বীকার করেন যে, ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে দেশটিতে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

ইউক্রেন বলছে, রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর প্রায় প্রতিদিন হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাব হিসেবেই রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় এসব হামলা চালানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনের ৩৭৬টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি রাশিয়ার

আপডেট সময় : ১১:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ঢাকা, ১০ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : দেশজুড়ে রাতে ইউক্রেনের ছোড়া ৩৭৬টি ড্রোন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে দেশটির কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছে মস্কো।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেন সাম্প্রতিক সময়ে মস্কোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করতে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলাকে রাশিয়ার পাল্টা জবাব হিসেবে দেখছে ইউক্রেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘ম্যাক্স’ প্ল্যাটফর্মে এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে, এমনকি রাজধানী মস্কো অঞ্চলের আকাশেও, রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন লাগে। 

ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। একই অঞ্চলের আজভ জেলায় দুটি জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।

ক্রাসনোদার অঞ্চলের সেভেরস্কায়া জেলার প্রশাসন টেলিগ্রামে জানায়, ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে ড্রোনের অংশবিশেষ পড়েছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। ওই এলাকাতেই ইলস্কি তেল শোধনাগার অবস্থিত।

আজভ এলাকায় জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর ইউরি স্লিউসার। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন গত মাসে স্বীকার করেন যে, ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে দেশটিতে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

ইউক্রেন বলছে, রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর প্রায় প্রতিদিন হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাব হিসেবেই রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় এসব হামলা চালানো হচ্ছে।